1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সম্পাদক ওসমান আলীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, অপসারণ দাবি বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলোর মুনাফা হবে তিন হাজার কোটি ডলার উত্তরা মোটর্স বাজারে এনেছে ইসুজুর দুই মডেলের বাস বাংলাদেশীদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান পরিবহন চাদাবাজি : সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হবিগঞ্জ নিহত ৩, আহত ৫০ গতিসীমা নিয়ে বিতর্ক : শহরে বাইকের সর্বোচ্চ গতি ৩০ কিলোমিটার, মহাসড়কে ৫০ কর্মীরা গণহারে অসুস্থ, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ৯০ ফ্লাইট বাতিল মগবাজার রেল গেটে ট্রেনের ধাক্কায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গাড়ি চুরমার নতুন দুটি বিদেশি এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম শুরু আগামী মাসে : অক্টোবরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৯ মাসে ৪৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি

ডাক বিভাগে জালিয়াতি : গ্রাহকের ৪৫ লাখ টাকা দুই কর্মকর্তার পকেটে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
সড়ক সংস্কারের সময় ভূপাতিত এই ডাকবাক্সটির মতোই এখন ডাক বিভাগের অবস্থা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে তোলা।

অ্যাকাউন্টে টাকা জমা না দিয়ে গ্রাহকের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ডাক বিভাগ চট্টগ্রাম কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ডাক বিভাগের আকস্মিক অডিটে এ ঘটনা ধরা পড়ার পর বুধবার রাতেই সারওয়ার আলম ও নুর মোহাম্মদ নামের ওই দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে দেয় কর্তৃপক্ষ। সঞ্চয় শাখার সহকারী পোস্টমাস্টার-৬ নুর মোহাম্মদের বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার খরনদীপ গ্রামে এবং সারওয়ারের বাড়ি লোহাগাড়া উপজেলার বরহাতিয়া গ্রামে। এই শাখায় সাধারণ সঞ্চয় হিসাবের টাকা জমা ও উত্তোলন করা যায়। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা বলেন, ‘ডাক বিভাগের অভ্যন্তরীণ অডিটে টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় তাঁদের আটক করা হয়েছে। এখন লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা তা দুদকে পাঠাব। কারণ মামলাটি দুদকের শিডিউলভুক্ত।’
ডাক বিভাগ সূত্র জানায়, তিন গ্রাহক মাসে মাসে এসে টাকা জমা দিতেন ডাক বিভাগের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে খোলা তাঁদের অ্যাকাউন্টে। ডাক বিভাগে দায়িত্বরত দুই কর্মকর্তার হাতে তাঁরা এই কিস্তির টাকা জমা দিতেন। জমা রসিদও নিতেন তাঁদের হাত থেকে। কিন্তু ওই টাকা তাঁদের অ্যাকাউন্টে নয়, জমা হতো ওই দুই কর্মকর্তার পকেটে। গ্রাহককে যে রসিদ দেওয়া হতো, ওগুলো ছিল জাল।
ডাক বিভাগের পরিদর্শক রাজিব পাল বলেন, ‘আমাদের তিন গ্রাহকের ৪৫ লাখ টাকা অভিযুক্ত সারওয়ার আলম ও নুর মোহাম্মদ তাঁদের হিসাবে জমা না দিয়ে নিজেরা আত্মসাৎ করেছেন। আমাদের অডিটে তা ধরা পড়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা তাঁদের পুলিশে সোপর্দ করেছি। এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হবে।’
নুর মোহাম্মদ প্রথমে অস্বীকার করলেও পরিদর্শনকালে তাঁর কাছ থেকে দুই দফায় ২১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। বাকি ২৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ডাক বিভাগের পরিদর্শক রাজিব পালের চিঠিতে বলা হয়, ওই দুই কর্মী অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁদের থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT