1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

চট্টগ্রাম বন্দর কনটেইনার ওঠানামায় ছয় ধাপ এগিয়ে বিশ্বে ৫৮তম

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কনটেইনার ওঠানামায় বিশ্বের ১০০ শীর্ষ সমুদ্রবন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর এখন ৫৮তম অবস্থানে উঠে এসেছে। ২০০৯ সালে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের অবস্থান ছিল ৯৮তম। ২০১৮ সালে ছিল ৭০তম এবং ২০১৯ সালে অবস্থান ছিল ৬৪তম। ২০২০ সালে প্রকাশিত তালিকায় ছয় ধাপ এগিয়ে এখন ৫৮তম স্থান দখলে নিল চট্টগ্রাম বন্দর।
শিপিং বিষয়ক বিশ্বের পুরনো গণমাধ্যম লয়েডস লিস্ট ২০১৯ সালের পণ্য ওঠানামা এবং প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বসেরা ১০০ বন্দরের তালিকা তৈরি করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর এই অবস্থানে পৌঁছাল। গত ২৯ আগস্ট এই রিপোর্ট তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই চট্টগ্রাম বন্দরের এই অগ্রগতি। শ্রমিক থেকে শুরু করে বন্দর ব্যবহারকারী, অপারেটর এবং বন্দর কর্মচারী-কর্মকর্তাদের সম্মিলিত ও নিরলস প্রচেষ্টায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। বন্দরের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আমরা আগামী বছর পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালু করছি। সক্ষমতা ধরে রাখতে মাতারবাড়ী বন্দর, বে টার্মিনালসহ অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।’
লয়েডস রিপোর্ট অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০১৯ সালে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার একক কনটেইনার ওঠানামা করেছে। আর প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৩ শতাংশ। ২০১৮ সালে কনটেইনার ওঠানামা হয়েছিল ২৯ লাখ একক। অথচ ২০১৯ সালে বিশ্বের বন্দরগুলোর গড় প্রবৃদ্ধি ছিল আড়াই শতাংশ আর চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৬ শতাংশ। দেশের পোশাকশিল্পের রপ্তানির ওপর ভর করেই চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা বেড়েছে বলে মন্তব্য করা হয় লয়েডস লিস্টের প্রতিবেদনে। তবে অবস্থানগত উন্নতি হলেও প্রতিবেদনে চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ জরুরি বলেও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সি কম গ্রুপের এমডি আমিরুল হক বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগোচ্ছে তা আগামীতে চট্টগ্রাম বন্দর সামাল দিতে পারবে না। এখন চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি বে টার্মিনাল হবে সর্বশ্রেষ্ট সমাধান। বে টার্মিনাল দ্রুত বাস্তবায়ন করতে না পারলে আমরা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় ভবিষ্যতে পিছিয়ে পড়ব।’
২০১৯ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট কনটেইনার ওঠানামার ৬২ শতাংশই হয়েছে বন্দরের দুটি টার্মিনাল এনসিটি ও সিসিটিতে। এই দুটি টার্মিনাল অপারেটর সাইফ পাওয়ারটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা যদি দক্ষতা ধরে রাখতে না পারতাম তাহলে এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার জন্য কনটেইনার খুলে পণ্য ডেলিভারি বন্দরের ভেতর থেকে স্থানান্তর করা এবং বন্দরের ভেতর কনটেইনার রাখার স্থান বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT