1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুই বছরে ১৭০টি রেল দুর্ঘটনায় ৪৯ জনের মৃত্যু : সংসদে রেলমন্ত্রী শান্তি মিশনে কঙ্গো গেলেন বিমান বাহিনীর ১৫৩ সদস্য ১১ দফা দাবিতে আজ মধ্যরাত থেকে নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মিটারগেজ লাল-সবুজ ১৪৭টি কোচ দেশে এসে গেছে গত বছর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে ২২ শতাংশ মোংলা বন্দর বিষয়ক স্থায়ী কমিটি এবং বন্দর ব্যবহারকারী গাড়ি আমদানিকারকদের যৌথ সভা মোটর সাইকেল সংযোজন ও আমদানিকারকদের সভা অনুষ্ঠিত অটোমোবাইল সংস্থাগুলোকে একত্র করতে কাজ করবে সাফ ট্যুরিজম ফেয়ার : টিকিটে ১৫ শতাংশ ছাড় দেবে বিমান বাংলাদেশ মেট্রোরেল উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সম্প্রসারণের সমীক্ষা চলছে

আমাদের নৌপথ অবহেলিতই রয়ে গেল

অরূপ তালুকদার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০
এই কয়েকদিন আগেই পালিত হলো বিশ^ নৌ দিবস। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) ১৯৭৮ সাল থেকে দিবসটি পালন করে আসছে। তবে এই দিবসটি আমাদের দেশে যখন পালিত হয় তখন আমরা যারা দেশের বিশাল দক্ষিণাঞ্চলের অধিবাসী, আমাদের বারবার মনে হয় এই অঞ্চলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তেমনভাবে যেন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। যার মধ্যে আছে নদীমাতৃক দক্ষিণাঞ্চলের দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাওয়া নৌপথ। সংকুচিত হয়ে যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রভাবশালীদের জলাশয় দখলদারি, পলি পড়ে নদী খাল ভরাট হয়ে যাওয়া, বিভিন্ন স্থানে নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং সারা বছরজুড়ে বিভিন্ন নদ-নদীর অব্যাহত ভাঙন। যুগের পর যুগ ধরে আমাদের এই অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ প্রায় তুলনামূলকভাবে অবহেলিতই রয়ে গেল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সরকারের আমলে নানারকম আশ্বাসও মিলেছে, কিন্তু পরবর্তীকালে কাজের কাজ তেমন কিছুই হয়নি। অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশের নৌপথের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কারণ যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়ক ও রেলপথের চেয়ে নৌপথ কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার তথ্যানুসারে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের বিভিন্ন নৌরুটে ৩১ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী চলাচল করেছে। পাশাপাশি ৫৪৮৩৫ লাখ টন পণ্য পরিবহন করা হয়েছে, যা ১০ বছর আগেও ছিল এর এক-তৃতীয়াংশ কম। এতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে প্রতিবছর যাত্রী সংখ্যা এবং পণ্য পরিবহনের পরিমাণ বেড়েই চলছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, প্রতিবছর যাত্রী চলাচল এবং পণ্য পরিবহন বাড়ার পেছনে বিআইডব্লিউটিএ সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মতৎপরতা এবং আন্তরিকতাও নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে।
বিশ^ব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, ১৯৭৫ সালে দেশে বিভিন্ন রুটে যত যাত্রী চলাচল করেছে তার ১৬ শতাংশ অভ্যন্তরীণ নৌরুটগুলোতে চলাচল করেছে। বাকি ৫৪ শতাংশ সড়কপথে এবং ৩০ শতাংশ রেলপথে চলাচল করেছে। অন্যদিকে ১৯৯৬ সালে নৌরুটগুলোতে চলাচল করেছে মোট যাত্রীর ১৫ শতাংশ।
এরপরে অবাক বিষয়টি হচ্ছে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৫ সালে এই যাত্রীসংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র আট শতাংশে, অর্থাৎ বলা যায়, প্রায় অর্ধেক। পরিসংখ্যান অনুসারে এই বছরে সড়কপথে মানুষ চলাচল করেছে ৮৫ শতাংশেরও বেশি। দেশের অভ্যন্তরীণ নৌরুটগুলো দেখাশোনা করে থাকে বিআইডব্লিউটিএ নামক সংস্থাটি। তাদের দাবি, চলাচলকারী মোট যাত্রীদের চার ভাগের এক ভাগ এবং পণ্যের অর্ধেকের বেশি পরিবহন করা হয় নৌপথে।
তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশে যতগুলো নদ-নদী রয়েছে তার দৈর্ঘ্য কমবেশি ২৪ হাজার কিলোমিটারের মতো, এর মধ্যে ৫ থেকে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথে শুষ্ক ও বর্ষা মৌসুমে নৌযান চলাচল করতে পারে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কী, প্রকৃতপক্ষে শুষ্ক মৌসুমে অধিকাংশ নৌপথেই নৌযান চলাচলে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ডুবোচর। এর কারণ হচ্ছে প্রতিবছর নিয়মিত ড্রেজিংয়ের অভাব। তা ছাড়া যতটা ড্রেজিং করা হয় তার মধ্যেও থাকে ছলচাতুরী, যতটুকু কাজ হওয়ার কথা
প্রকৃতপক্ষে ততটা হয় না। এ ঘটনা সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের চোখের সামনে প্রতিবছর হয়ে আসছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার হয় না, রুটিন মাফিক কাজ চলতেই থাকে। ঠিকভাবে নৌরুটগুলো হিসাবে নিলে দেখা যাবে স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত নৌরুটগুলোর দৈর্ঘ্য কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ বা তার বেশি কমে গেছে।
এদিকে প্রতিবছরই বিভিন্ন নৌপথে ডুবোচর তৈরি হওয়ার কারণে নৌরুটগুলো নৌযান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অথচ এটা আমরা সবাই জানি যে, রেল অথবা সড়কপথে যাত্রী চলাচল কিংবা পণ্য পরিবহনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম হয় জলপথে। তারপরেও নৌরুটগুলো নৌযান চলাচলে সচল রাখা এবং নদীর নাব্যতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং অর্থ বরাদ্দ ঠিকভাবে করা হয় না বলেই অভিজ্ঞ মহলের ধারণা।
প্রকৃতপক্ষে নৌপথ সংরক্ষণ এবং সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বাজেটেই সাধারণত কম বরাদ্দ থাকে। এবারের চলতি অর্থবছরের বাজেটে পরিবহন খাতে বরাদ্দ আছে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা যার থেকে শুধু সড়ক পরিবহন খাতে খরচ হবে ৬২ শতাংশ, রেলপথে ২৩ শতাংশ, আকাশপথে প্রায় ৭ শতাংশ এবং নৌপরিবহন খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৬ শতাংশের কিছু বেশি অর্থ। এতে পরিষ্কার দেখা যায়, বাজেটে সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিলেও কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে রেলপথ এবং নৌপথকে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেলপথ এবং নৌপথ, দুটি ক্ষেত্রেই। অথচ আমরা সবাই জানি, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নদীপথেই বেশিরভাগ মানুষ চলাচল করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
সাধারণ মানুষের ধারণা, সড়ক পরিবহনের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণেই হয়তোবা রেলপথ এবং নৌপথ এভাবে যুগের পর যুগ গুরুত্বহীন এবং অবহেলিত থাকার অন্যতম কারণ। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ভৌগোলিক সুবিধার কারণেও আমাদের দেশের প্রায় সব নদ-নদীই পণ্য পরিবহন এবং যাত্রীবাহী জলযান চলাচল করার উপযোগী, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এদিকটা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিরদিন অবহেলিত থেকে গেছে।
আমরা সবাই জানি, পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও সড়কপথের চেয়ে রেলপথ এবং নৌপথ অনেক সাশ্রয়ী। এর পাশাপাশি আর যে বিষয়টি রয়েছে সেটি হলো সড়ক দুর্ঘটনা এখন অর্থাৎ এই সময়ে শুধু নয়, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। এমন কোনো দিন নেই, যেদিন দেশের কোথাও না কোথাও দু-চারটা সড়ক দুর্ঘটনা না ঘটছে এবং তাতে হতাহত না হচ্ছে। সে তুলনায় রেলপথ এবং নদীপথে চলাচলকারী যাত্রীদের জন্য অনেক নিরাপদ।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সড়ক, রেল এবং নৌপথে ২০১৯ সালে সর্বমোট দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬২০৩টি, যার মধ্যে ৫৫১৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে সড়কপথে। সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছেÑ এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৭৮৫২ জন ভাগ্যহীন মানুষ। অন্যদিকে, একই সময় নৌপথে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে মাত্র ২০২টি, যাতে মারা গেছে ২১৭ জন।
আমাদের নদ-নদী আমাদের দেশকে সুজলা সুফলা করেছে, পরিবেশ করেছে আমাদের দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য আরামদায়ক এবং সহনীয়। বিশ^খ্যাত বাংলার ইলিশ মাছ আমাদের দেশেরই সম্পদ যার জন্ম আমাদের নদ-নদীতেই। সেহেতু আমাদের নদ-নদীসহ সব ধরনের জলাধার এবং আমাদের চলাচলের জন্য নদীপথকে যেকোনো মূল্যে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য যেন সহজে ছাড়ে না। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সেই যে সাত-আট মাস আগে থেকে আমাদেরকে ধরেছে, আর যেন ছাড়তে চাইছে না। সে কারণে দেশের কোটি কোটি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার যেন কোনো এক সর্বনাশা চক্রের মধ্যে পড়েছে। আর সে চক্র থেকে কোনোক্রমেই যেন বের হতে পারছে না। তারপরে এই অবস্থা কবে কাটবে সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে শুধু আমাদের দেশ কেন, পৃথিবীর দুই শতাধিক দেশের কোটি কোটি মানুষের এখন একই অবস্থা। সারা পৃথিবীজুড়ে এখন অর্থনৈতিক সঙ্কট ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠছে, তার ধাক্কা আমাদেরকে সামলাতে হচ্ছে নানাভাবে। আমাদের দেশের অগণিত পরিবারের কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীর এখন আর কাজের সংস্থান বা কাজ নেই। কারণ যেসব প্রতিষ্ঠানসমূহে তারা কাজ করতেন তার বেশিরভাগই বন্ধ হয়ে গেছে। যেসব পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরা বিদেশে কাজ করতেন তাদের অনেকেরই এখন আর চাকরি নেই। যাদের চাকরি নেই তারা ইতোমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। এখন আবার যখন করোনার প্রকোপ কিছু কমেছে, তখন তারা আবার নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যেতে চাইছেন। কিন্তু যেতে চাইলেই কি তারা অতি সহজে এবং নির্বিঘ্নে ফিরে যেতে পারছেন? পারছেন না। কয়েকদিন ধরে টিভির পর্দায় এবং খবরের কাগজের পাতায় কখনও কখনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়ালে তার মর্মস্পর্শী নিষ্ঠুর ভোগান্তির ছবি এবং খবর দেখছি। তাদের এই ভোগান্তি কবে নাগাদ শেষ হবে, এখনই ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।
আমরা আশা করব, প্রবাসীদের এই ভোগান্তি নিরসনের জন্য আমাদের সরকার এখন যে রকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যতদিন পর্যন্ত না প্রবাসীদের সমস্যা মিটে যাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাদের সব রকম প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।
এদিকে আমাদের দেশের ভেতরে বড় বড় কিছু গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে, তারা সরকারের দেওয়া বিপুল পরিমাণ প্রণোদনা গ্রহণ করার পরেও তাদের ফ্যাক্টরি থেকে নানা উসিলায় হাজার হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করে তাদেরকে পথে বসিয়েছেন। অনেক কর্মীর বেতন বিভিন্ন বাহানায় কাটছাঁট করে কমিয়ে দিয়েছেন।
যতদূর জানা যায়, নানা রকম ভয়-ভীতি দেখাবার কারণে ভুক্তভোগীরা মুখ না খোলার জন্য এসব বিষয় বাইরের মানুষদের কাছে অজানাই থেকে যায়। লাখ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিকদের এই দুর্ভাগ্য নিয়ে বছরের পর বছর নিঃশব্দে সব ধরনের দুঃখকষ্ট বুকের ভেতরে চেপে রেখেই মুখ বুজে কাজ করে যেতে হয়। এই ভাগ্য নিয়েই জন্মেছে তারা।
এত গেল বড়দের কথা, এদের চেয়েও খারাপ অবস্থা দেশের হাজার হাজার মাঝারি ও ছোট প্রতিষ্ঠান ও ফ্যাক্টরিসমূহে কাজ করে যে লাখ লাখ কর্মী। তাদেরও এসব প্রতিষ্ঠান এবং ফ্যাক্টরির অধিকাংশই এখনও বন্ধ রয়েছে মূলত পুঁজির অভাবে। কারণ সীমিত পুঁজির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে যেমন ব্যাংক লোন পায় না, অন্যদের কাছ থেকেও পায় না আর্থিক সহযোগিতা। ফলে তাদেরকে চলতে হয় নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করে পাওয়া অর্থ দিয়েই।
করোনা সঙ্কটের সময় তিন-চার মাস ব্যবসা-বাণিজ্য বলতে গেলে একেবারেই বন্ধ ছিল। এ সময় এরা নিজেদের পুঁজি ভেঙে মাস দুয়েকের মতো চালিয়ে গেলেও পরে আর ধরে রাখতে পারেনি। তার ফলে একে একে এসব প্রতিষ্ঠান অচল হয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। আর এসব প্রতিষ্ঠানে যে হাজার হাজার কর্মী
কর্মরত ছিল তারা কর্মচ্যুত হয়ে রাস্তায় নেমে গেছে।
এসব অসহায় কর্মহীন মানুষের জন্য আসলে আমরা কেউ কিছু কি করতে পেরেছি? নাকি সরকার কিছু করেছে? এ প্রশ্নের উত্তর কেউ দেবে না। অথচ অন্যদিকে আমরা দেখেছি, নানাভাবে নানা কথা বলে এবং প্রভাব খাটিয়ে সরকার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রণোদনা হিসেবে নিয়ে গিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠান যথারীতি ঠিকভাবেই পরিচালনা করেছেন কিন্তু অন্যদের দিকে কখনও ফিরেও তাকাননি।
 কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT