জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয় নারী, পাঁচ শিশুসহ ৪১ জন নিহত, ১০ জন আহত এবং ১৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন। আগস্টে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ১০ জন নারী, ৩১ জন শিশুসহ ৮৬ জন নিহত, ছয়জন আহত ও ২৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরে ১০টি দুর্ঘটনায় ছয় নারী, আট শিশুসহ ২২ জন নিহত, ১০ জন আহত এবং ১৮ জন নিখোঁজ হয়েছেন।
জিসিবির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, যাত্রীবাহী লঞ্চ দুর্ঘটনা সহনীয় মাত্রায় নেমে এলেও বছরজুড়ে সারাদেশেই নৌযান দুর্ঘটনা ঘটছে। নৌ-চলাচল ব্যবস্থার ওপর সংশ্নিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় নজরদারির অভাব, কঠোর তদারকির ক্ষেত্রে সংস্থাগুলোর জনবল সংকটসহ নানা সীমাবদ্ধতা, বিপুল সংখ্যক অবৈধ নৌযান চলাচল, দক্ষ মাস্টার ও ড্রাইভারের স্বল্পতা, দুর্বল আইন ও বিধিমালা এবং বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের উপযুক্ত শাস্তি না হওয়ার কারণেই নৌ-দুর্ঘটনা সহনীয় মাত্রায় নামিয়ে আনা যাচ্ছে না।
জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজি শহীদ মিয়া বলেন, নৌ-খাতের উন্নয়নের ব্যাপারে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক হলেও সংশ্নিষ্ট সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ। দক্ষ চালক নিয়োগে অনিয়ম, নৌযানের ফিটনেস পরীক্ষা, বে-ক্রসিংয়ের অনুমতি সঠিকভাবে না দেওয়াসহ নানা কারণে নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে না এবং নৌযান দুর্ঘটনাও বাড়ছে।
Leave a Reply