1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

শিপ ব্রেকিং শিল্পে শীর্ষে বাংলাদেশ : বিশ্বের ৫৪.৭% জাহাজ রিসাইকল হয় এখানে

পোর্ট এন্ড শিপিং রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০

জাহাজ রিসাইকলে (পুনর্ব্যবহার উপযোগী করা) বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি জাহাজ রিসাইকল হয় এ দেশে। এ বাজারে বাংলাদেশের পরে রয়েছে ভারত ও তুরস্ক। এ তিন দেশ মিলে ২০১৯ সালে বিশ্বের ৯০.৩ শতাংশ জাহাজ রিসাইকল করে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আংকটাড প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
‘রিভিউ অব ম্যারিটাইম ট্রান্সপোর্ট ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে এসব তথ্য নেওয়া হয় ক্লার্কসনস রিসার্চ থেকে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৪.৭ শতাংশ জাহাজ রিসাইকল করে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত রিসাইকল করে ২৬.৬ শতাংশ, তৃতীয় স্থানে থাকা তুরস্ক রিসাইকল করে ৯ শতাংশ, চতুর্থ স্থানে চীন রিসাইকল করে ৩.১ শতাংশ এবং পঞ্চম স্থানে থাকা পাকিস্তান রিসাইকল করে ২.২ শতাংশ। বাকি বিশ্ব রিসাইকল করে মাত্র ৪.৪ শতাংশ।
একটি জাহাজ ভেঙে টুকরা টুকরা করে সব সরঞ্জাম পুনর্ব্যবহার উপযোগী করাই হচ্ছে রিসাইকল, যা বাংলাদেশে জাহাজ ভাঙা শিল্প হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে জাহাজ রিসাইকল বা ভেঙে পুনর্ব্যবহার উপযোগী করার পরিমাণ বেড়েছে ২৯.১ শতাংশ কিন্তু ২০১৯ সালে এসে তা আগের বছরের চেয়ে আবার কমে যায় ২২.৭ শতাংশ।
ক্লার্কসনস রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি জাহাজ রিসাইকল হয় বাল্ক ক্যারিয়ার। এরপর রয়েছে কনটেইনার শিপ ও অয়েল ট্যাংকার। এতে বলা হয়, ২০১৬ সাল থেকে বিশ্বে জাহাজ রিসাইকল কমে আসছে। যেমন ২০১৬ সালে বিশ্বে জাহাজ রিসাইকল হয় দুই কোটি ৯১ লাখ ৩৫ হাজার গ্রোস টন। ২০১৭ সালে হয় দুই কোটি ৩১ লাখ ৩৮ হাজার গ্রোস টন, ২০১৮ সালে হয় এক কোটি ৯০ লাখ তিন হাজার গ্রোস টন এবং ২০১৯ সালে হয় এক কোটি ২২ লাখ ১৮ হাজার গ্রোস টন।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জাহাজ ভাঙা শিল্প বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সম্ভাবনা। যদিও করোনা মহামারি শুরু হলে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে এ শিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আংকটাডের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা শুরু হলে গত মার্চ থেকে লকডাউনের কারণে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে জাহাজ রিসাইকল ক্রমান্বয়ে থেমে যায়। যেমন জুন থেকে ভারতের ইয়ার্ডগুলোতে জাহাজ রিসাইকল করা হয় সক্ষমতার মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।
এর আগে বেলজিয়ামভিত্তিক সংগঠন ‘দ্য এনজিও শিপ ব্রেকিং প্ল্যাটফর্ম’ জাহাজ ভাঙা শিল্প নিয়ে এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০১৯ সালে বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক জাহাজ ভাঙা হয় বাংলাদেশে। ওই বছর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ২৩৬টি জাহাজ আমদানি করে টুকরা করার জন্য।
মূলত একটি জাহাজ কয়েক দশক চালানোর পর যখন এটিকে চলাচলের অনুপযুক্ত ঘোষণা করা হয়, তখন এ জাহাজটি ভেঙে টুকরা টুকরা করে সব সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি আলাদা করে ফেলা হয়। তারপর এসব মূল্যবান জঞ্জাল রিসাইকল বা পুনর্ব্যবহার উপযোগী করা হয়। ওয়াইপিএসএ-এর তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৭০০ মহাসমুদ্রগামী জাহাজ পরিত্যক্ত হয়। এসব জাহাজের অন্যতম বড় ক্রেতা বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT