1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদন >> বাস থেকে বছরে চাঁদাবা‌জি ১০৫৯ কোটি টাকা, ভাগ পায় পুলিশও দুই বছরে ১৭০টি রেল দুর্ঘটনায় ৪৯ জনের মৃত্যু : সংসদে রেলমন্ত্রী শান্তি মিশনে কঙ্গো গেলেন বিমান বাহিনীর ১৫৩ সদস্য ১১ দফা দাবিতে আজ মধ্যরাত থেকে নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মিটারগেজ লাল-সবুজ ১৪৭টি কোচ দেশে এসে গেছে গত বছর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে ২২ শতাংশ মোংলা বন্দর বিষয়ক স্থায়ী কমিটি এবং বন্দর ব্যবহারকারী গাড়ি আমদানিকারকদের যৌথ সভা মোটর সাইকেল সংযোজন ও আমদানিকারকদের সভা অনুষ্ঠিত অটোমোবাইল সংস্থাগুলোকে একত্র করতে কাজ করবে সাফ ট্যুরিজম ফেয়ার : টিকিটে ১৫ শতাংশ ছাড় দেবে বিমান বাংলাদেশ

পরিবহন ধর্মঘটে অচল সিলেট

সিলেট প্রতিনিধি
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২০

সিলেটের সবকটি কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলনের অনুমতি প্রদানের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার থেকে সিলেট বিভাগে শুরু হয়েছে ৭২ ঘন্টার পরিবহন ধর্মঘট। ধর্মঘটের কারণে প্রাইভেট ও জরুরি সেবাদানকারী গাড়ি ছাড়া কোন ধরণের যানবাহন চলাচল করেনি। যানচলাচল বন্ধ থাকায় জনদূর্ভোগ ছিল চরমে।
সিলেট জেলার সবকটি পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার থেকে ৭২ ঘন্টার সবধরণের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় ‘বৃহত্তর সিলেট পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’। ধর্মঘটের প্রথম দিন গতকাল ভোর থেকে সিলেট নগরীসহ সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ও বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেন পরিবহন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের পিকেটিংয়ের কারণে সকাল থেকে সিলেটের রাস্তাগুলো যানশূণ্য হয়ে পড়ে। শুধুমাত্র প্রাইভেট গাড়ি, এ্যাম্বুলেন্স ও সংবাদপত্রের গাড়িসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনগুলোকে রাস্তায় চলাচল করতে দেখা গেছে।
ধর্মঘটের কারণে সিলেট থেকে কোন দূরপাল্লা ও আঞ্চলিক সড়কে কোন বাস ছেড়ে যায়নি। চলাচল করেনি কোন পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ। সিএনজি অটোরিকশাও ধর্মঘটের কারনে ছিল না রাস্তায়। ফলে সকালে ঘর থেকে বের হয়েই যাত্রীরা পড়েন বিপাকে। গাড়ি না পেয়ে যাত্রীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়।
ধর্মঘটের কারণে সিএনজি অটোরিকশা বন্ধ থাকায় চাহিদা বেশি ছিল রিকশার। এ সুযোগে রিকশা চালকরাও বাড়িয়ে দেন ভাড়া। এ নিয়ে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে অপ্রীতিকর নানা ঘটনাও ঘটে।
সিলেট জেলা ট্রাক মালিক গ্রুপের সভাপতি গোলাম হাদী ছয়ফুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের সকল পাথর কোয়ারি বন্ধ রয়েছে। এতে পাথর উত্তোলন, ভাঙ্গা ও পরিবহনের সাথে জড়িত লাখো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। এছাড়া পাথর পরিবহন বন্ধ থাকায় হাজার হাজার ট্রাক অচল হয়ে পড়েছে। ট্রাক না চলায় মালিকরা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না। কিস্তি দিতে না পারায় অনেক মালিকের গাড়ি কোম্পানি জব্দ করে নিয়ে গেছে। পাথর শ্রমিক এবং ট্রাক মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে দাবি জানিয়ে আসলেও পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তারা সব ধরণের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সাথে নিয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT