গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বাহামার পতাকাবাহী গাড়িবাহী জাহাজ ‘হেলিওস রে’ গাল অব ওমানে চলমান অবস্থায় বেশ কয়েকবার বিস্ফোরিত হয়। সেসময় জাহাজটি মাসকাট থেকে মাত্র ৪৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। জাহাজটি ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম্মাম ছেড়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। তবে বিস্ফোরনের পর জাহাজটি দুবাইয়ের পোর্ট রশিদে চলে যায়। সেখানে নিরাপত্তাবাহিনীর বিশ্লেষকগণ বিস্ফোরণের কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
জাহাজের বিস্ফোরণে ইসরাইলের সমুদ্র উপকূয়ে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ইসরাইলি সরকার আপাতত সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ বিস্ফোরণের জন্য ইসরাইল এখন ইরানের দিকে আঙ্গুল তুলছে।
হেলিওস রে জাহাজটির মালিক ইসরাইলের নাগরিক আব্রাহাম উনগান। দেশটির সবচেয়ে বড় গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। এক সাক্ষাতকারে আব্রাহাম বলেছেন, ‘আমি ঠিক বলতে পারব না এটা কোনো আন্তর্জাতিক আক্রমণ কি না।’ তবে ইসরাইলি মিডিয়া এরই মধ্যে ইরানকে এজন্য দায়ী করেছে। আরব নিউজ টুডে এক টুইটে কিছু ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছে, ‘ইরানি নেভির আক্রমণে ইসরাইলি কার্গেো শিপের ক্ষতির চিত্র।’ ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর অফিশিয়ালও এই ঘটনার জন্য তেহরানকে দায়ী করছে।
https://twitter.com/ArabNewsToday/status/1366274953448931329?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1366274953448931329%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.maritime-executive.com%2Farticle%2Fisrael-views-iran-as-the-likely-attacker-in-car-carrier-explosion
ইসরাইলের ডিফেন্স ফোর্সের চীফ অব স্টাফ আবিব কোহাভি বলেছেন, ‘আমরা এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক ইরানের কাছ থেকে সপ্তাহখানেক আগেই সতর্ক সঙ্কেত পেয়েছি। আর এখন আমরা বুঝতে পেরেছি যে ইরান কেবল নিউক্লিয়ার থ্রেটই নয়, বরং তারা সাধারণ জনগণকেও টার্গেট করে আক্রমণ করছে।’ ইরান ইসরাইলের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেনি গানজ। এমনকি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীও ইরানের দিকে আঙ্গুল তুলছেন জাহাজ বিস্ফোরণের ঘটনায়। তবে ইরান এখনো এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেয়নি।
Leave a Reply