1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মিটারগেজ লাল-সবুজ ১৪৭টি কোচ দেশে এসে গেছে গত বছর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে ২২ শতাংশ মোংলা বন্দর বিষয়ক স্থায়ী কমিটি এবং বন্দর ব্যবহারকারী গাড়ি আমদানিকারকদের যৌথ সভা মোটর সাইকেল সংযোজন ও আমদানিকারকদের সভা অনুষ্ঠিত অটোমোবাইল সংস্থাগুলোকে একত্র করতে কাজ করবে সাফ ট্যুরিজম ফেয়ার : টিকিটে ১৫ শতাংশ ছাড় দেবে বিমান বাংলাদেশ মেট্রোরেল উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সম্প্রসারণের সমীক্ষা চলছে চলন্ত বিমানে ক্রু সদস্যকে ‘মদ্যপ’ যাত্রীর কামড়, জরুরি অবতরণ, যাত্রী গ্রেপ্তার ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত কাল থেকে উত্তরা-মতিঝিলে মেট্রোরেল চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত : সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার

বাংলাদেশে কার্যক্রম আরো বাড়াতে চায় বোয়িং

এভিয়েশন এন্ড ইমিগ্রেশন রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১০ মে, ২০২৩

উড়োজাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোয়িং আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম আরো বাড়াতে চায় বলে জানিয়েছেন এশিয়া প্যাসিফিক ও ভারতের বোয়িং কমার্শিয়াল মার্কেটিং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেভ শাল্টে। তিনি জানান, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, প্রসারিত অর্থনীতি ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দ্বারা চালিত হওয়ার কারণে আগামী দশকে বাংলাদেশে বিমান ভ্রমণ দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (১০ মে) রাজধানীর গুলশানের দ্যা ওয়েস্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বোয়িংয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বোয়িং এমন সময় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে যখন বাংলাদেশে তাদের ক্লায়েন্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এয়ারবাস ব্র্যান্ডের ১০টি এয়ারক্রাফট কেনার ঘোষণা দিয়েছে। উড়োজাহাজ ব্যবসায় বোয়িংয়ের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাস।
বোয়িং বাংলাদেশে তাদের বাজার হারাচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কমার্শিয়াল মার্কেটিং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেভ শাল্টে সরাসরি কোনো উত্তর দেন নি। তিনি বলেন, তারা সবসময় বিমান বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশী উড়োজাহাজ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার মধ্যেই আছেন। তাদের বাংলাদেশে ৫০ বছর ধরে শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক এভিয়েশনে দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে বোয়িং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, উড়োজাহাজ একই ধরনের হলে এই খাতের প্রবৃদ্ধিতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে কারণ এতে পরিচালন ব্যয় ও অন্যান্য খরচ কমে আসে। তিনি উল্লেখ করেন, কমার্শিয়াল মার্কেট আউটলুক (সিএমও) পূর্বাভাস অনুযায়ী যাত্রী ভ্রমণ ও এয়ার কার্গোর চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ এশিয়ার ক্যারিয়ারদের আগামী ২০ বছরে ২ হাজার ৩শ টিরও বেশি নতুন বাণিজ্যিক বিমানের প্রয়োজন হবে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ইন-সার্ভিস বিমানবহরে বর্তমান ৭শটি থেকে তিনগুণ বেশি বৃদ্ধি হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT