জ্বালানি তেলের কমিশন বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে গতকাল সোমবার খুলনা ও রংপুর বিভাগে প্রতীকী ধর্মঘট পালিত হয়েছে। বৃহত্তর ফরিদপুরের জেলাগুলোতেও একই কর্মসূচি পালিত হয়। গতকাল ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টাব্যাপী এই ধর্মঘট পালিত হয়। প্রতিনিধি ও অফিসের পাঠানো সংবাদে বিস্তারিত—
খুলনা অফিস জানায়, ধর্মঘট চলাকালে খুলনায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা কম্পানির তেল ডিপো থেকে উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ ছিল।

খুলনায় পেট্রল পাম্প মালিক সমিতির নেতা মো. ফরহাদ হোসেন জানান, বিভাগের ১০ জেলা ও বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ ছিল। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, বর্তমানে আগের ধার্যকৃত লিটারপ্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যের ২.৭১ হারে কমিশন দেওয়া হয়। অতীতে কমিশন বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপারেশনে (বিপিসি) একাধিকবার আবেদন করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। তেলের মূল্য অনেক বৃদ্ধি পাওয়ার পরও কমিশন বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ধর্মঘটের দাবিগুলো হলো মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আনুপাতিক হারে বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি, ডিপো থেকে ৪০ কিলোমিটারের বাইরে ট্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি ও পেট্রল পাম্পের ওপর আরোপিত বিভিন্ন সংস্থার লাইসেন্স প্রথা বাতিল। আন্দোলনকারীরা বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্যের ৭.৫০ শতাংশ হারে কমিশন দাবি করছেন।

বাংলাদেশ জ্বালানি পরিবেশক সমিতির খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের দপ্তর সম্পাদক সরোজ দাস পিন্টু জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এই প্রতীকী ধর্মঘট পালন করে। তাদের সঙ্গে ট্যাংলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও জ্বালানি তেল পাম্প মালিক সমিতিসহ আরো কয়েকটি সংগঠন এই ধর্মঘটে সমর্থন দেয়।
Leave a Reply