1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

শততম জাহাজ ভিড়বে আজ মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দরে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। গত জুনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের পাশেই মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য নির্মিত জেটিতে ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাহাজ ভেড়ানো শুরু হয়। আজ বুধবার এই জেটি শততম জাহাজ ভেড়ার মাইলফলক অর্জন করবে।
মাতারবাড়ীতে শততম জাহাজ ভেড়ার আগ পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয় দুই কোটি টাকার বেশি। বর্তমানে মাতারবাড়ীতে দুটি স্থায়ী জেটি আছে। এগুলো মূলত কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রীপরিবহনের জন্যই ব্যবহৃত হবে। আগামী বছর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে দুই জেটিতে কয়লাবোঝাই জাহাজ ভিড়তে শুরু করবে। এতে রাজস্ব আয় তখন অনেক বেড়ে যাবে।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নির্দেশনায় দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের এই অনন্য কাজটি শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলে এই জেটিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাহাজটি পণ্য নিয়ে ভিড়তে পারবে। মাতারবাড়ী হয়ে উঠবে আশপাশের দেশগুলোর পণ্য পরিবহন হাব।’
২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর মাতারবাড়ীতে নির্মিতব্য কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে প্রথম জাহাজ ভেড়ানো শুরু হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী বোঝাই করেই প্রথম ভেড়ে ‘ভেনাস ট্রায়াম্প’ জাহাজ। এর মধ্য দিয়ে মাতারবাড়ী এলাকায় বড় জাহাজ ভেড়ানোর যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০২১ সালের ১৫ জুলাই নতুন একটি জেটি চালু হয় সেখানে। এর পর থেকে দুটি জেটিতে দুটি করে জাহাজ ভেড়ানো শুরু হলে জাহাজের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯ মাসের মাথায় শততম জাহাজ ‘হোসেই ফরচুন’ ভিড়ছে জেটিতে।
এম শাহজাহান বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা সীতাকুণ্ড থেকে মাতারবাড়ী পর্যন্ত ৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। ফলে এই সীমার মধ্যে যত জাহাজই পণ্য নিয়ে জেটিতে ভিড়বে সেটি চট্টগ্রাম বন্দরের আওতায় বা পোর্ট অব কল হিসেবে গণ্য হবে। সেই জেটিতে ৯৯টি পণ্যবাহী জাহাজে এক লাখ ১৭ হাজার টন পণ্য ওঠানামা হয়েছে। এর বিপরীতে সরকার রাজস্ব পেয়েছে দুই কোটি আট লাখ টাকা। আগামী বছর থেকে শুধু কয়লাবাহী জাহাজ ভিড়লেই চট্টগ্রাম বন্দরের আয় অনেক গুণ বেড়ে যাবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT