নৌযান শ্রমিকরা চাইলে একটা অঞ্চল -দেশ যে কোন মুহূর্তে অচল করে দিতে পারে! সেটা জলন্ত প্রমাণ এই চরপাড়া ঘাট- সি বিচ চট্টগ্রাম।
ধন্যবাদ নৌ শ্রমিক ভাইদের সংগঠনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐক্যবদ্ধ হয়ে চরপাড়া ঘাট বয়কট করার জন্য। একতাই শক্তি, একতাই বল। এই হলো আজকে বিকেলের দৃশ্য যেন মরুভূমি।

আপসোস লাগছে দোকানদারগুলোর জন্য তারা এই জাহাজি ওয়ালাদের উপর নির্ভরশীল ছিল ব্যবসায়িক ভাবে, আজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য। এর জন্য দায়ী মাফিয়া গং -তথাকথিত ঘাট মালিক
জয় বাবু (হেড়ম জাহাজের কচ্ছপ)। কই তোমার লাঠিয়াল বাহিনী, সাধারণ শ্রমিকের উপর নির্যাতন জুলুম অন্যায়ভাবে ঘাট ভাড়া আদায় করা।
আজকে একটা নিউজ পেলাম, তারা নাকি বিভিন্ন মাধ্যমে কনভিঞ্চ করার চেষ্টা করতেছে। আমি সাধারণ শ্রমিক হিসেবে বলবো, একটাই দাবি, কোন সমঝোতা নয়। আমরা চরপাড়া ঘাট ব্যবহার করবো না!
বিঃদ্রঃ
যদিও কখনো চরপাড়া ঘাট ব্যবহার করি বা করতে হয়, তাহলে কোন ঘাট ভাড়া দেব না। চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সে অনুযায়ী বিনে পয়সায় ব্যবহার করবো।

নৌকা ভাড়া আগের অনুযায়ী প্রথম সাংড়া ২০ টাকা, দ্বিতীয় সাংড়া ৩০ টাকা, পরেরগুলো ৫০টাকা হারে ব্যবহার করবো, না হয় করবো না। কারণ, একজন লস্কর কয় টাকা বেতন পায়! এবং সারা দেশের থেকে এই চট্টগ্রামে নৌকা ভাড়া বেশি।
বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ নৌ যান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ রইল এর বাহিরে কোন সমঝোতা নয়। তাহলে সাধারণ শ্রমিক মানবে না। আমার কোনো ভুল হলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
Leave a Reply