কিছুদিন আগেই সম্প্রসারণযোগ্য নতুন এলসিডি ডিসপ্লে প্যানেলের তথ্য জানা গিয়েছে। প্রচলিত অন্যান্য প্যানেলের তুলনায় এটি আলাদা। ডিসপ্লে প্যানেলের পর এবার ব্যতিক্রমী স্পিকার তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট এলজি। মূলত গাড়িতে ব্যবহারের জন্য এটি তৈরি করা হবে। খবর এনগ্যাজেট ও টেকটাইমস।

স্পিকারটি থিন অ্যাকচুয়েটর সাউন্ড সলিউশন নামেও পরিচিত। মূলত ইনভিজিবল বা চোখে যাতে না পড়ে সে রকমভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। গাড়িতে প্রচলিত স্পিকারের পরিবর্তে ব্যবহারের জন্য একটি অডিও কোম্পানির সঙ্গে সম্মিলিতভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে।
নতুন এ স্পিকারে কোনো ভয়েস কয়েল, ম্যাগনেট বা চুম্বক নেই। এগুলোর পরিবর্তে নতুন স্পিকারে ফিল্মের মতো এক্সাইটার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যেটি গাড়ির ভেতরে থাকা ডিসপ্লে প্যানেল থেকে শুরু করে অন্যান্য অংশে কম্পন তৈরি করতে সক্ষম। অর্থাৎ এটি থ্রিডি ইমারসিভ সাউন্ড অভিজ্ঞতা প্রদানে সক্ষম।
স্পিকারটির আকার ৫.৯–৩.৫ ইঞ্চি। এর পুরুত্বও কম এবং ওজন মাত্র ১ দশমিক ৪ আউন্স, যে কারণে এটিকে গাড়ির হেডলাইনার, ড্যাশবোর্ড, হেডরেস্ট ও পিলারে লুকিয়ে রাখা যাবে। পাশাপাশি বর্তমানে ব্যবহূত স্পিকারগুলো অনেক জায়গাজুড়ে থাকে। এলজির নতুন স্পিকার সে জায়গা বাঁচিয়ে দেবে। তবে আকারে ছোট হলেও গুণগত মান ও পারফরম্যান্সে কোনো হেরফের হবে না। এলজির নতুন এ স্পিকারের আইডিয়া যে একেবারেই নতুন তা নয়। অন্যান্য ব্র্যান্ডও তাদের ওএলইডি টেলিভিশনে একই ধরনের স্পিকার ব্যবহার করেছে। তবে গাড়িতে এর ব্যবহার একেবারেই নতুন বিষয় এবং বেশ সুবিধাও রয়েছে।

প্রথমত, গাড়িতে স্পিকার যুক্ত করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় সেটি বাঁচবে। আকারের দিক থেকে ছোট ও পাতলা হওয়ায় যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করা যাবে। ফলে গাড়িতে এর ব্যবহার আশ্চর্যের কোনো কারণ হবে না। প্রথমবারের মতো কোনো প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গাড়ির অডিও শিল্পে পরিবর্তনের ছোঁয়া দিচ্ছে। ২০২৩ সালে আয়োজনের অপেক্ষায় থাকা সিইএস সম্মেলনে এ প্রযুক্তি দেখাবে এলজি। সেই সঙ্গে বছরের প্রথমার্ধে এটি সবার জন্য বাজারজাত করা হবে।
Leave a Reply