রাজধানীতে বাসচাপায় নর্দান ইউনিভার্সিটির ছাত্রী নাদিয়া নিহতের মামলায় ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনের চালক মো. লিটন ও হেলপার মো. আবুল খায়রকে দুইদিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। আজ ঢাকা মহানগর হাকিম সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুর এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। এর আগে আজ সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

রিমান্ড শুনানীতে রাষ্ট্র পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজধানীর প্রগতি সরণি এলাকায় রোববার দুপুরে ভিক্টর ক্ল্যাসিক পরিবহনের বাস দ্রুত গতিতে বেপরোয়াভাবে পেছন থেকে নাদিয়া আক্তারকে বহনকারী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। মুহূর্তেই বাসের দুই চাকার মাঝামাঝি স্থানে ছিটকে পড়ে নাদিয়া। কিন্তু বাসটি না থামিয়ে তড়িঘড়ি করে ওই ছাত্রীর ওপর দিয়ে গাড়িটি চালিয়েই সটকে পড়ে বাসচালক। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কি কারনে আসামিরা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে ইউনিভার্সিটির ছাত্রী নাদিয়ার মৃত্যু ঘটিয়েছে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে বের হয়ে ভিক্টর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান নাদিয়া। এ ঘটনায় তার বন্ধু অক্ষত রয়েছেন। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি বিভাগে প্রথমবর্ষে ভর্তি হন নাদিয়া। ঘটনার দিন রাতে রাজধানীর ভাটারা থানায় বাসের অজ্ঞাতপরিচয় চালক ও হেলপারকে আসামি করে মামলা করেন নিহত নাদিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম।
Leave a Reply