1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

সমুদ্রগামী বাংলাদেশী জাহাজ এখন শত ছুঁই ছুঁই

হাসান ইকবাল, পোর্ট এন্ড শিপিং রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০২৩

নীল সমুদ্রে নিয়মিত বাড়ছে লাল-সবুজের পতাকাবাহী সমুদ্রগামী বাংলাদেশী জাহাজ। এই খাতে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ায় সমুদ্রগামী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে এখন শত ছুঁই ছুঁই। বর্তমানে
সমুদ্রগামী বাংলাদেশী জাহাজ রয়েছে ৯৭টি। শিগগিরই এই সংখ্যা শতাক পেরিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) আইন ২০১৯ ব্যবসা বান্ধব। তাই বিনিয়োগকারীরা পুনরায় এই সেক্টরে নতুন করে পুজি বিনিয়োগ শুরু করেছেন। এছাড়া করোনার কারণে পুরাতন জাহাজের দাম অর্ধেকে নেমে আসায়, বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা এই সুযোগটি গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত ২০ বছর বয়সী ৫০,০০০ -৬০,০০০ ডেডওয়েট টনেজ (ডিডব্লিওটি) জাহাজ কিনে থাকে। আকার এবং জাহাজের বয়সের উপর নির্ভর করে এ জাতীয় একটি জাহাজের দাম ১২-১০ মিলিয়ন ইউএস ডলার থেকে ৫-৬ মিলিয়নে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্রগামী জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা চট্টগ্রামের এসআর শিপিং লি: এবং ঢাকার মেঘনা গ্রুপের হাতে মোট জাহাজের প্রায় অর্ধেক। বাকি জাহাজের অধিকাংশই কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজেদের পণ্য পরিবহনের জন্য সংগ্রহ করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সমুদ্রগামী জাহাজ খাতে বাংলাদেশের রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা। দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে এটি ৯শ’ কোটি ডলারেরও বেশি সাশ্রয় করতে পারে, যেটি এখন সমুদ্রগামী জাহাজে পণ্য পরিবহনে জন্য ব্যয় করা হচ্ছে। পাশপাশি এখাতে ৬ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ অতিরিক্ত ৪শ’ কোটি ডলার আয়ের সুযোগ রয়েছে।
মার্কেন্টাইল মেরিন ডিপার্টমেন্টের (এমএমডি) মতে, ২০১২ সালের আগে বাংলাদেশে ৭২টি সমুদ্রগামী কার্গো জাহাজ ছিল। তবে ২০১২ সালে এ সংখ্যা কমে ৩৫টিতে নেমে আসে। ২০১৮ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬টিতে। এরপর ২০১৯ সালে পাশ হওয়া নতুন বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) আইনে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) অধ্যাদেশ ১৯৮২ থেকে সমুদ্রগামী জাহাজ পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের বাধা দূর হয়েছে। নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর ১১টি জাহাজ এবং ২০২০ জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে ১৬টি জাহাজ নিবন্ধিত হয়। সর্বশেষ হিসাবে বর্তমানে দলঋৃলল
সমুদ্রগামী বাংলাদেশী জাহাজ রয়েছে ৯৭টি।
এর আগে, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের ব্যবসার সম্প্রসারণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ফ্রেইট চার্জ, পরিচালনা ব্যয়, ব্যাংক সুদের উচ্চহার, নিবন্ধনে বিলম্ব, বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বন্দরে দ্বিগুণ কর, পতাকা সুরক্ষার নিয়মগুলির অভাব, অগ্রিম আয়কর (এআইটি), মূসক (ভ্যাট) এবং অন্যান্য কর। তবে নতুন আইনে ব্যবসায়ীদের পাঁচ হাজারের বেশি ডিডব্লিওউটি ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছ। স্থানীয় বন্দরে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ৫০ শতাংশ পণ্য স্থানীয় জাহাজে বহন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা আগে ৪০ শতাংশ ছিল। এছাড়া জাহাজ নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও জটিলতা দূর করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (সুরক্ষা) আইন ২০১৯ কার্যকর করার ফলে আমরা এখন তার সুফল পাচ্ছি।’
বাংলাদেশ সমুদ্রগামী জাহাজ মালিক সমিতির সভাপতি আজম জে চৌধুরী ও ইস্টকোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘কিছু সংস্থা তাদের নিজস্ব পণ্য বহনের জন্য জাহাজ কিনছে বলে নিবন্ধনের হার বেড়েছে। আকিজ গ্রুপ এবং বসুন্ধরার মতো গোষ্ঠীও একই উদ্দেশ্যে জাহাজ কিনছে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT