1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

প্রাণহানি বাড়ছে মোটরসাইকেলে : নভেম্বরে ১২৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৪১ জন

এক্সিডেন্ট এন্ড সেফটি রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০

সড়ক ও মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও প্রাণহানির বড় কারণ বেপরোয়া মোটরসাইকেল। গত নভেম্বর মাসে সারা দেশে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেলের কারণে। এছাড়া গত নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪১৭টি। নিহত ৪৩৯ জন এবং আহত ৬৮২ জন। এর মধ্যে ১২৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৪১ জন।
গতকাল রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, অক্টোবর মাসের তুলনায় নভেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয়ই বেড়েছে। অক্টোবর মাসে ৩১৪টি দুর্ঘটনায় ৩৮৩ জন নিহত হয়েছিল। নভেম্বর মাসে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪১৭টি। নিহত ৪৩৯ জন এবং আহত ৬৮২ জন।
নিহতের মধ্যে নারী ৬৪, শিশু ৫৩। এককভাবে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। ১২৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৪১ জন, এই সময়ে ৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছে। ২৯টি রেলপথ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৩২ জন, আহত ৭ জন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে জাতীয় মহাসড়কে ১১১টি, অঞ্চলিক সড়কে ১৩৭টি, গ্রামীণ সড়কে ১১৩টি, শহরের সড়কে ৫১টি, এবং অন্যান্য স্থানে (ফেরিঘাট, ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ মাঠ ও ফসলের মাঠ) ৫টি সংঘটিত হয়েছে।
দুর্ঘটনাসমূহের ৯৭টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১০৫টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১২৬টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৭৬টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১৩টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দায়ী-ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২০.৮৯ শতাংশ, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স-জীপ ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ১১ দশমিক ৯০ শতাংশ, মোটরসাইকেল ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-টেম্পু-স্কুটার) ২২ দশমিক ৬৪ শতাংশ, নসিমন-ভটভটি-আলগামন-পাখিভ্যান ৯ দশমিক ১৪ শতাংশ, রিকশা-ভ্যান, বাই-সাইকেল ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং অন্যান্য (গ্যাসবাহী গাড়ি, গ্রামবাংলা, লাটাহাম্বা, ভ্যানগাড়ি) ১ দশমিক ৩০ শতাংশ।
দুর্ঘটনায় আক্রান্ত যানবাহনের সংখ্যা ৬৮৯টি। ট্রাক ১০৩, বাস ৮২, কাভার্ডভ্যান ১৮, পিকআপ ২৩, লরি ৭, ট্রলি ১৬, ট্রাক্টর ৯, মাইক্রোবাস ১৪, প্রাইভেটকার ৯, এ্যাম্বুলেন্স ৬, জীপ ২, গ্যাসবাহী গাড়ি ২, মোটরসাইকেল ১৩৬, নসিমন-ভটভটি-আলগামন-পাখিভ্যান ৬৩, ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-টেম্পু-স্কুটার ১৫৬, বাই-সাইকেল ৩, প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান-স্কুলভ্যান ৩১ এবং পাওয়ারটিলার-গ্রামবাংলা-লাটাহাম্বা-ভ্যানগাড়ি ৯টি।
সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ, সকালে ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ, দুপুরে ১৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ, বিকালে ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং রাতে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।
দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ১১১টি দুর্ঘটনায় নিহত ১২৮ জন। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে। ২২টি দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জন। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ২৬টি দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত। সবচেয়ে কম ভোলা জেলায়। ৩টি দুর্ঘটনায় ১ জন নিহত।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT