করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবে আগামী ২৯ মে থেকে ফ্লাইট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। রোববার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকারের পাঠানো
বাংলাদেশের পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ’ লেখা থেকে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ অংশটুকু বাদ হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশি ই-পাসপোর্টের ‘আন্তর্জাতিক মান’ বজায় রাখার জন্য ওই অংশে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আগামী জুলাইয়ের নির্ধারিত চলাচল সূচি অনুযায়ী অতিরিক্ত ৪০০ ফ্লাইট পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারলাইনস। ইউরোপীয় দেশগুলোয় পুনরায় ভ্রমণ সহজ করে দেয়াসহ মহামারী-পরবর্তী বিধিনিষেধ শিথিল করার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে
সৌদি আরবগামী ফ্লাইটের যাত্রীদের সাত দিনের কোয়ারেন্টিনসহ কঠিন শর্তারোপ জুড়ে দেয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ আগামী ২০ মে থেকে পরবর্তী চার দিনের সবগুলো শিডিউল ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সিদ্ধান্তটি
১৯ মহামারীর প্রভাব সত্ত্বেও গত মাসে তুর্কি এয়ারলাইনস প্রায় ২৪ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে। এপ্রিলের এ পরিসংখ্যান ২০১৯ সালের এপ্রিলের তুলনায় ৬০ শতাংশ কম। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটির গত
করোনাভাইরাসের টিকা আনতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি উড়োজাহাজ আজ মঙ্গলবার চীনে গেছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০জে পরিবহন উড়োজাহাজ
আগামীকাল বুধবার থেকে আরব আমিরাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশের নাগরিকরা ঢুকতে পারবে না। সোমবার (১০ মে) মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির জাতীয় জরুরি সঙ্কট ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের
দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। সীমিত পরিসরে চলছে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট। সবমিলে বেসরকারি এভিয়েশন খাতের ভঙ্গুর অবস্থা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ও টিকে থাকতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন
গত ২৮ এপ্রিল বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের সল্ট লেক সিটি থেকে হাওয়াই যাচ্ছিলেন এক সন্তানসম্ভাবা নারী। পারিবারিক অবকাশযাপনে যেতে বিমানে ওঠেন তিনি। ঘণ্টাব্যাপী এই ভ্রমণে হঠাৎ তার প্রসববেদনা ওঠে। ওই নারী
করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আন্তর্জাতিক রুটে আবার শুরু হয়েছে সিডিউল ফ্লাইট। শুক্রবার রাত বারোটার পর থেকেই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।