দুর্যোগ কবলিত ওশান নেটওয়ার্ক এক্সপ্রেসের (ওয়ান) ডুবে যাওয়া ও ক্ষতিগ্রস্থ কন্টেইনারের মধ্যে বাংলাদেশী কন্টেইনারও থাকতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ নিয়ে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা রয়েছে। গতকাল পর্যন্ত তারা
বিএনপি পদ্মাসেতু নিয়ে সমালোচনায় মুখর থাকলেও, সেতু দৃশ্যমান হওয়ার পরও তাদের নীরবতা নিয়ে জাতির প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার তথ্যমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে
বিপদজনক ৪০ কার্গো বেহাত হওয়ার আশঙ্কা সম্প্রতি সমুদ্রে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। জাপানি কন্টেইনার কোম্পানি ওশেন নেটওয়ার্ক এক্সপ্রেসের (ওয়ান) কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়ে ১৮১৬টি কন্টেইনার হারিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় ৪১তম, অর্থাৎ সর্বশেষ স্প্যানটি। ৪০তম স্প্যান বসানোর ছয় দিনের মাথায় বসানো হয় এ স্প্যান। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের
যার যা প্রাপ্য সন্মান তাকে তা দিতেই হবে। এটাই মহত্ব। পদ্মাসেতুর পাইলিং শুরু এবং পরীক্ষামূলক পিলার স্থাপনের পরই জানা যায়, পদ্মার অজানা কাদার স্তর আর চোরা স্রোতের কথা। একটি পিলার
আজ দুপুর ১২ টা ২ মিনিটে ৪১তম পাপড়ি স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রস্ফুটিত হল দেশের সক্ষমতার ‘পদ্মফুল’ ; আমাদের স্বপ্নের বর্ণিল দিগন্ত পদ্মা সেতু। দুর্নীতির অপবাদ ঘুচিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমান্চলের সাথে রাজধানীর
দৃশ্যমান হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু। যুক্ত হলো প্রমত্তা পদ্মার দুই পাড়। আজ বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) ৪১তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে বাস্তব রূপ পেলো পুরো পদ্মা সেতু। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ঘন কুয়াশা যদি না থাকে তাহলে আজ বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি বসানো হবে ১২-১৩ নম্বর পিলারে। আর এটি বসানোর মধ্যদিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মাসেতুর
করোনাভাইরাস পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই লাক্সারি প্রমোদতরীর মালিকেরা বেশ বেকায়দায় পড়ে গেছেন। বিভিন্ন দেশেই এসব প্রমোদতরীতে করে ঘুরে বেড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে বর্তমানে বিভিন্ন প্রমোদতরী নানান কর্মসূচীতে ভ্রমণ
আর মাত্র একটি স্প্যান বাকি। ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের উপর শেষ স্প্যানটি বসলেই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ কাঠামোর দেখা পাবে বাংলাদেশ। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত এক সুতোয় গেঁথে দৃষ্টি