সরকার গণপরিবহন চালুর চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘চলমান লকডাউনের পরে জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চালু
‘বাস না থাকায় রাস্তায় বাড়তি মানুষ পরিবহনের জন্যে রিকশা, ভাড়ায়-চালিত মোটরসাইকেল ও সিএনজি-চালিত অটোরিকশার সংখ্যা বেড়ে গেছে। তবে এখন যাতায়াত খরচও বেড়েছে প্রায় তিনগুণ।’ এমন আক্ষেপ-অভিযোগের কথা বললেন নাম বেসরকারি
লকডাউনে কর্মহীন এক হাজার ২০০ পরিবহন শ্রমিকের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব ও এনা ট্রান্সপোর্ট লিমিডেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। নিজস্ব অর্থায়নে গতকাল রোববার
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশে নতুন করে যে ‘লকডাউন’ আরোপ করা হয়েছে সেটি কার্যকর হয়েছে আজ বুধবার ভোর থেকে। সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। যদিও
অতিমারি করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করছে। এ সময় সব কিছু বন্ধ থাকলেও শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিয়ে যাবে।
আগামীকাল সোমবার ও পরশু মঙ্গলবার শুধু দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় শর্ত সাপেক্ষে সমন্বিত ভাড়ার অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন,
করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে সরকার ১৮ দফা বিশেষ বিধি-নিষেধ ঘোষণা করে। এর আওতায় গত ৪ থেকে আজ ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নানা নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। পরে এসব নিষেধাজ্ঞায় বেশ কিছু
নিউইয়র্কে যাতায়াতের জন্য ব্রিজ বা সেতু ও টানেলে টোল বেড়েছে। আগামীকাল ১১ এপ্রিল থেকে এই বাড়তি টোল কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নিউইয়র্ক মেট্রোপলিটন ট্রানজিট অথোরিটি এসব ব্রিজ টানেল তত্ত্বাবধান করে
আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। শুক্রবার তিনি গণমাধ্যমকে জানান যে, এই লকডাউনে জরুরি সেবায় নিয়োজিত গাড়ি ছাড়া গণপরিবহন সব জায়গায় বন্ধ থাকবে।
সড়ক ও মহাসড়কের উন্নয়নে তিনটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৯৮ কোটি ৬০ লাখ ৭৩ হাজার ৬৩৯ টাকা। বুধবার (৭ এপ্রিল)