বিখ্যাত গাড়ি কোম্পানি ফোর্ড ভারত থেকে তাঁদের উৎপাদন বন্ধ করার কথা ঘোষণা করতেই উদ্বেগ বেড়ে গিয়েছিল সবার। কারণ ইন্ডিয়ার ফোর্ড কারখানার সঙ্গে প্রায় ৪ হাজার পরিবারের রুজিরুটি জড়িত। অন্তত ২০
বগুড়ার সোনাতলায় কলেজছাত্র আব্দুর রহমান রিশান তৈরি করেছেন প্রাইভেট কার। সেই গাড়ি নিয়ে তিনি নিয়মিত কলেজে যাতায়াত করেন। কলেজছাত্র রিশানের গাড়ি তৈরি ও গাড়িতে চড়ে যাতায়াতের ঘটনায় এলাকায় আলোড়নের সৃষ্টি
দক্ষিণ কোরিয়ার বহুজাতিক অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক কিয়া নতুন ইলেকট্রিক কার আনছে। এই গাড়ি ভারতেও পাওয়া যাবে। বর্তমানে, কিয়া ভারতের বাজারে চারটি পণ্য বিক্রি করে। এগুলো হলো- সনেট, সেলটোস, কার্নিভাল ও ক্যারেন্স।
দেশের বাজারে ইলেকট্রিক ভেহিকল আনতে এটুআইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে থ্রি-হুইলার গাড়ি বাজারে আনতে যাচ্ছে দেশের প্রথম মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানটি। এরপর এই
জ্বালানি তেলের দাম দিনে দিনে বাড়ছে। তাই গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক গাড়ির দিকে ঝুঁকছে। হাইব্রিড গাড়ির তুলনায় ইলেকট্রিক গাড়ির দাম বেশি। তাই ইচ্ছা থাকলেও সাধ্যে কুলায় না অনেকেরই।
জাপানের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা সনি ও গাড়ি নির্মাতা হন্ডা জোট বেঁধেছে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি নির্মাণে। তাদের যৌথ উদ্যোগের প্রথম গাড়ি বাজারে আসবে ২০২৫ সাল নাগাদ। এ লক্ষ্যে এ বছরই
পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যানবাহনে কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ ও তেল-পেট্রোল বাহিত জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে আনতে দেশে প্রযুক্তিনির্ভর বৈদ্যুতিক গাড়ির সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। তাই পরিবেশ দূষণ রোধে এই গাড়ির উৎপাদন
ময়মনসিংহের ২৮ বছরের যুবক নাহিয়ান আল রহমান অলি। ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের ওপর স্নাতক। তিনি তৈরি করেছেন একটি রকেট, যার নাম ‘ধূমকেতু’। এটি এখন মহাকাশের পথে ওড়ার জন্য প্রস্তুত। সরকার
বিশ্বখ্যাত হুন্দাই মোটর গ্রুপের ব্র্যান্ড সান্তা ফে এখন বাংলাদেশের বাজারে। এটি ২৫০০ সিসির এসইউভি শ্রেণির গাড়ি। এতে সাতজন যাত্রী চলাচল করতে পারবেন—দাম ৭৮ লাখ টাকা। গত বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে
চলতি পথে গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে গেলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু যদি এমন হয়, আপনার গাড়ির চাকা কখনোই পাংচারই হবে না। রাস্তায় হাওয়া ছাড়া চলবে গাড়ি এমন কথা শুনলে অবাক