1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

মোটরসাইকেল নয় গণপরিবহনকে বিকশিত করার দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

এক্সিডেন্ট এন্ড সেফটি রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে, সড়কে চলাচলকারী পদচারীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোটরসাইকেল নিবন্ধন ফি কমানো ও সিসি বা অশ্বশক্তি ১৬৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৩৫০ সিসিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে গণপরিবহনকে বিকশিত করার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। আজ শনিবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতি ছোট্ট এই দেশে রাস্তার পরিমাণ বিবেচনায় না নিয়ে প্রতিবছর প্রায় ৩ থেকে ৪ লক্ষ মোটরসাইকেল রাস্তায় নামছে, বিপরীতে গণপরিবহন তথা বাসের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে কমছে। গণপরিবহনের এই ভুলনীতি বন্ধ না হলে অচীরেই দেশের যেকোন পথে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়বে। বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ৪৪ লাখ যানবাহনের বিপরীতে ৩১ লাখ মোটরসাইকেল রয়েছে। নিবন্ধনবিহীন আরো ৩ থেকে ৪ লাখ মোটরসাইকেল রাস্তায় চলছে। অথচ মোটরসাইকেল চালকদের মাত্র ১৮ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স রয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান মতে, দেশে বিদায়ী ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৬৭৩৬টি যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল ১৬৭১ টি। যা মোট আক্রান্ত যানবাহনের ২৪.৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৭৩৫৬ টি যানবাহনের মধ্যে ১৫৬৩ টি মোটরসাইকেল সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। যা মোট আক্রান্ত যানবাহনের ২১.৪ শতাংশ। এতে দেখা গেছে, গত ১ বছরে দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার বেড়েছে ৩.৪ শতাংশ। দেশের একমাত্র এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা-মাওয়া-পাঁচ্চর জাতীয় মহাসড়ক ছাড়া অন্য কোন মহাসড়কে ১০০ কিলোমিটার গতিতে নিশ্চিন্তে মোটরসাইকেল চালানোর সুযোগ নেই। রাজধানীসহ দেশের প্রধান প্রধান মহানগরীতে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেইন না থাকায় ট্রাফিক আইন ভাঙ্গার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে পঙ্গু হাসপাতালের তথ্য মতে, প্রতিবছর গড়ে সাড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার পঙ্গু রোগী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট কমাতে চীনের ৫টি মহানগরীসহ পৃথিবীর বহু দেশের প্রধান প্রধান মহানগরীতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করেছে।
দেশে মানসম্মত গণপরিবহনের অভাব, যাত্রী হয়রানী, ভাড়া নৈরাজ্য, যাত্রীসেবার মান, কর্মসংস্থানের অভাবসহ নানা কারনে মানুষ মোটরসাইকেলকে নিরাপদ বাহন ও কর্মসংস্থানের বিকল্প উপায় হিসেবে মনে করছে। অন্যদিকে অনলাইন ভিত্তিক প্লাটফর্মের মাধ্যমে মোটরসাইকেল ভাড়ায় ব্যবহারের কারনে দেশের কর্মহীন বিপুল সংখ্যক যুবগোষ্ঠী ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে আয়ের পথ বেঁচে নিলেও কার্যত একটি আদর্শ রাষ্ট্রে গণপরিবহনকে বিকশিত করার কোন বিকল্প নেই। তাই এইমুহুর্তে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মোটরচালিত রিক্সাসহ ছোট ছোট যানবাহনের লাগাম টেনে ধরার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT