চলমান লকডাউনে অন্যান্য যানের মতো অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল পুনরায় চালুর করার দাবি জানিয়ে আজ বুধবার ঢাকার বেশ কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ করেছেন রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালকেরা। রাজধানীর মগবাজার, বেইলি রোড, শ্যামলী, এয়ারপোর্ট ও তেজগাঁওয়ে সড়ক অবরোধ করে স্বল্প সময়ের জন্য বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মগবাজারে প্রায় আধা ঘণ্টার বিক্ষোভে যান চলাচল ব্যাহত হয়। সেখানে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেলচালক বিক্ষোভ করেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। সেখান থেকে বিক্ষোভকারীরা পরে চলে যান বেইলি রোডে, তারপর শ্যামলীতে।
বিক্ষোভকারীদের একজন জামিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখন বাস চলছে, বাইকারদের নিয়েই কেন সমস্যা? একটা বাইকের পেছনে একজন মানুষ গেলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। সরকারের নিয়মে সবাই চালাতে পারলে আমরা কেন পারব না?’
ওই মোটরসাইকেলচালক আরও বলেন, ‘প্রতিদিনের আয়ে প্রতিদিন চলতে হয়। আমাদের কারও টানা কয়েক দিন (বসে) খাওয়ার মতো টাকা নেই। আমার মা-বাবার ওষুধ কিনতে হয়। এটার ওপর নিষেধাজ্ঞা হলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগেই মারা যাব।’
ঢাকা রাইড শেয়ারিং ড্রাইভার্স ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. এহসানুল হক প্রতিটি মোটরযান খুলে দেওয়া পরও মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ বন্ধ রাখার কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা রাইডার আছি, গত বছরের লকডাউনের পর থেকে অবস্থা করুণ। অনেকের কাছ থেকে তখন ঋণ নিয়েছি। সেটা এখনো পরিশোধ করতে পারিনি। শেয়ারিংয়ে টাকা দেওয়ার পর অল্প টাকা থাকে। সেটাও বন্ধ।’ তিনি বলেন, ঢাকার অ্যাপভিত্তিক মোটরসাইকেলচালকদের বেশির ভাগই শিক্ষিত। ফলে কারও কাছে হাত পাতার সুযোগও নেই।
Leave a Reply