1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সম্পাদক ওসমান আলীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, অপসারণ দাবি বৈশ্বিক বিমান সংস্থাগুলোর মুনাফা হবে তিন হাজার কোটি ডলার উত্তরা মোটর্স বাজারে এনেছে ইসুজুর দুই মডেলের বাস বাংলাদেশীদের জন্য ভ্রমণ ফি কমাল ভুটান পরিবহন চাদাবাজি : সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড দখল নিয়ে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হবিগঞ্জ নিহত ৩, আহত ৫০ গতিসীমা নিয়ে বিতর্ক : শহরে বাইকের সর্বোচ্চ গতি ৩০ কিলোমিটার, মহাসড়কে ৫০ কর্মীরা গণহারে অসুস্থ, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের ৯০ ফ্লাইট বাতিল মগবাজার রেল গেটে ট্রেনের ধাক্কায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গাড়ি চুরমার নতুন দুটি বিদেশি এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম শুরু আগামী মাসে : অক্টোবরে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৯ মাসে ৪৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি

বন্দর আইনে সংশোধন : প্রাইভেট জেটি নির্মাণে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ

ফারুক তাহের, চট্টগ্রাম
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

বন্দর আইন সংশোধন হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় প্রাইভেট জেটি নির্মাণে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন আইনে দুই বন্দরের জলসীমায় বেসরকারি খাতে জেটি নির্মাণ করা যাবে। সরকারের অনুমোদনে বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত শর্তে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ অনুমোদন দিতে পারবে বলে আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২১-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
১৯৭৬ সালের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর অধ্যাদেশ অনুযায়ী অধ্যাদেশের ১৭ ধারায় উল্লেখ ছিল- বন্দর কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বেসরকারি জেটি নির্মাণ করতে পারবে না। পুরনো সেই অধ্যাদেশ রহিত করে এখন নতুন আইনে সরকারের অনুমোদনক্রমে বন্দর কর্তৃপক্ষকে জেটি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যদিও পুরনো আইন অনুযায়ী অধ্যাদেশের ১৮ ধারায় বলা হয়, কর্তৃপক্ষ চাইলে শর্তসাপেক্ষে লিখিত আদেশে কোনো ব্যক্তিকে জেটি নির্মাণের অনুমতি দিতে পারে। এতদিন সেই নিয়মেই চলে আসছিল। ফলে ইতিপূর্বে মাত্র তিনটি বেসরকারি জেটি নির্মিত হয়েছে বন্দর এলাকায়।
বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, অধ্যাদেশ সংশোধনী চূড়ান্ত হওয়ার পর এ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করতে হবে। তার পরই বেসরকারি জেটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে উদ্যোগী হবেন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।
জিপিএইচ ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, প্রাইভেট জেটির সংখ্যা বাড়লে বন্দরের মূল জেটির পাশাপাশি পণ্য খালাসে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় আরও কমে আসবে।
বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, প্রাইভেট জেটি হওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর চাপ কমবে। এতে দ্রুত পণ্য খালাসের সুযোগ তৈরি হবে। কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে আরও প্রাইভেট জেটি হওয়া প্রয়োজন।
তবে এক্ষেত্রে সরাসরি প্রাইভেটে না দিয়ে প্রাইভেট পাবলিক যৌথ উদ্যোগে হলে দেশের অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
প্রসঙ্গত, দেশে বেসরকারি খাতে টার্মিনাল (একাধিক জেটিসহ পুরো অবকাঠামো) নির্মাণের প্রথম প্রস্তাবনা দিয়েছিল স্টিভিডোরিং সার্ভিসেস অব আমেরিকা বা এসএসএ। ১৯৯৮ সালে সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের অনুমতিও দিয়েছিল। কিন্তু পরে চট্টগ্রাম থেকে শ্রমিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের চাপে সরকার নমনীয় হয় এবং উচ্চ আদালত ওই অনুমতি বাতিল করে দেয়। উৎস : বাংলাদেশ প্রতিদিন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT