1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

বিআরটি প্রকল্পে ছয় মৃত্যুর পরও নিরাপত্তা ছাড়া কাজ চলছে

শরীফ আহমেদ শামীম, গাজীপুর
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২

বিশাল ক্রেন দিয়ে নির্মীয়মাণ পিলারে ওঠানো হচ্ছে টনকে টন রড, লোহার প্লেট, স্টিলের ফর্মা। নিচ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট-বড় নানা ধরনের যানবাহন ও পথচারী। অথচ নেই ন্যূনতম নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতকাল বুধবার দুপুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে গাজীপুরের টঙ্গীতে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের টঙ্গী বাজার উড়ালসেতু অংশে। মাত্র দুই দিন আগে গত সোমবার ঢাকার উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলাকালে ক্রেন থেকে ফ্লাইওভারের একটি গার্ডার পড়ে প্রাইভেট কারের পাঁচ আরোহী নিহত হন। এর আগে ১৫ জুলাই গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় ক্রেন থেকে ‘লঞ্চিং গার্ডার’ পড়ে নিহত হন একজন। কোনো রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া কাজ করার সময় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে প্রকল্পের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে। দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও বিআরটি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু এই ছয় মৃত্যুর পরও টনক নড়েনি তাঁদের। মানুষকে জীবনের ঝুঁকিতে রেখে টঙ্গীতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
এ ব্যাপারে গাজীপুর পরিবহনের যাত্রী একটি বায়িং হাউসের কর্মকর্তা মো. হেলাল শরীফ বলেন, ‘দিন-রাত ওপরে কাজ চলে। প্রায়ই ক্রেন দিয়ে নির্মাণ সরঞ্জাম, গার্ডার ওপরে ওঠানো হয়। জীবন হাতে নিয়া টঙ্গীর ওই অংশ পার হই। উত্তরার দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় ভেবেছিলাম কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে। নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করে কাজ চলবে। কিন্তু বাস্তবতা দেখে মনে হচ্ছে, দুর্ঘটনার বিষয়টি আমলেই নেয়নি তারা।’
বলাকা পরিবহনের চালক আবদুল রাজ্জাক বলেন, ‘উত্তরার ঘটনার পর ধরে নিয়েছিলাম নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া কাজ চলবে না। হয়েছে উল্টোটি। তারা আগের মতো কাজ করেই যাচ্ছে।’ স্থানীয় কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন সরকার বলেন, নিরাপত্তার বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। তারা আমলেই নিচ্ছে না। তারা মহাসড়ককে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT