জাপানে গাড়ি বিক্রি ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশটির গাড়ি বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটির গাড়ি বিক্রি সম্প্রসারিত হলো। সাংহাইয়ে কভিডজনিত লকডাউন শিথিল হওয়ার কারণে যন্ত্রাংশ ঘাটতি কমে যাওয়ায় দেশটিতে গাড়ি উৎপাদন বেড়েছে।

মাইনিচির খবরে বলা হয়েছে, উৎপাদন বাড়লেও দেশটিতে গাড়ি বিক্রির মাত্রা ২০১৯ সালের পর্যায়ের প্রায় ৭০ শতাংশে রয়ে গিয়েছে। সুতরাং প্রাক-মহামারী স্তরে ফিরতে আরো সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে আবার টয়োটা ও হোন্ডার চলতি মাসে উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা করছে।
জাপানের অটোমোবাইল ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, গত মাসে নতুন গাড়ি বিক্রি ছোট যানবাহন বাদে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে। এ সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। এ নিয়ে গত ১৩ মাসে প্রথমবারের মতো বিক্রি বেড়েছে। দেশটির প্রধান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রি বাড়ার কথা জানিয়েছে। সংখ্যার হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা টয়োটার বিক্রি ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩২৮ ইউনিটে পৌঁছেছে। যখন মাজদার বিক্রি ৬০ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ২০২ ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।

জাপান লাইট মোটর ভেহিক্যাল অ্যান্ড মোটরসাইকেল অ্যাসো সিয়েশনের তথ্য অনুসারে, দেশে ছোট যানবাহন বিক্রি ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ লাখ ৫৩ হাজার ১২১ ইউনিটে পৌঁছেছে। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো এসব গাড়ির বিক্রি বেড়েছে। শিল্প জায়ান্ট দাইহাটসু মোটর ও সুজুকি মোটর যথাক্রমে ৫৪ শতাংশ এবং ৪১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
অ্যাসোসিয়েশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, চিপের ঘাটতি ও সরবরাহের প্রতিবন্ধকতার মতো প্রভাবগুলো অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়গুলো ঠিক কবে নাগাদ নতুন গাড়ি বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলা বন্ধ করে তা বলা কঠিন। সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া ছয় মাসে ছোট গাড়িসহ জাপানে মোট ১৯ লাখ ২০ হাজার নতুন গাড়ি বিক্রি হয়েছে। এ সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ কম।
Leave a Reply