1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

পাইলট সংকটে ফ্লাইট শিডিউল ঠিক রাখতে হিমশিম খাচ্ছে বিমান

এভিয়েশন এন্ড ইমিগ্রেশন রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যতগুলো উড়োজাহাজ রয়েছে সে তুলনায় নেই বৈমানিক। নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করতে গিয়ে তাই বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে বৈমানিকদের। অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করতে গিয়ে প্রায়ই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে ছুটিতে যেতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে। এমনকি হূদরোগেও আক্রান্ত হয়েছেন কেউ কেউ। এ অবস্থায় বিদ্যমান বৈমানিক দিয়ে নিয়মিত ফ্লাইট শিডিউল ঠিক রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিমানকে।
বৈমানিক অসুস্থ হয়ে পড়ায় গতকালও মদিনা ও টরন্টো ফ্লাইট নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় বিমান কর্তৃপক্ষকে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হঠাৎ করেই শারীরিক অসুস্থতা বোধ করায় বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজের চার বৈমানিক গতকাল ছুটিতে যান। এর প্রভাবে শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে বিমানের মদিনাগামী ফ্লাইট। বৈমানিক না থাকায় গতকাল দুপুরের সেই ফ্লাইটটি সন্ধ্যা পর্যন্তও ঢাকা ছাড়তে পারেনি। প্রভাব পড়ে বিমানের অন্য ফ্লাইটেও। ঢাকা থেকে ইস্তানবুল হয়ে টরন্টোগামী ফ্লাইটের একজন বৈমানিকও গতকাল অসুস্থতাজনিত ছুটি নেন। এর আগে গত শুক্রবার একই কারণে ছুটিতে যান বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের অন্য এক বৈমানিক। তিনিও কবে নাগাদ ফ্লাইটে ফিরতে পারবেন তার নিশ্চয়তা নেই। বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের আরেক বৈমানিক অসুস্থ হয়ে ফ্লাইটে যেতে পারছেন না প্রায় পাঁচ মাস ধরে। ফলে বৈমানিকস্বল্পতার প্রভাব পড়েছে বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজগুলোতেও।
বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ২১। এর মধ্যে ১৬টি নিজস্ব ও পাঁচটি লিজ নেয়া। নিজস্ব বাহনগুলোর মধ্যে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর চারটি, বোয়িং ৭৮৭-৮ চারটি, বোয়িং ৭৮৭-৯ দুটি, বোয়িং ৭৩৭ দুটি ও ড্যাশ-৮ চারটি। নিয়ম অনুযায়ী, বিমানের বহরে থাকা উড়োজাহাজগুলো পরিচালনায় অনুমোদিত বৈমানিক প্রয়োজন ২৮০ জন। যদিও সার্ভিসে রয়েছেন কেবল ১৫০ বৈমানিক। সে কারণে প্রায় সবাইকে দিয়েই অধিক ফ্লাইট পরিচালনা করতে বাধ্য হচ্ছে অপারেশন বিভাগ।
এর আগে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার চাপে আকাশেই হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান ক্যাপ্টেন নওশাদ। সম্প্রতি একই কারণে বিমানের আরো চার বৈমানিকের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। বিমানের একাধিক বৈমানিকের অভিযোগ, ফ্লাইট পরিচালনায় নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি সময় ফ্লাইট পরিচালনা করতে হচ্ছে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ করছে। নিয়ম অনুযায়ী বিশ্রামও দেয়া হচ্ছে না। লম্বা একটি ফ্লাইট শেষ করে আসার পর অল্প বিশ্রামের পর আবারো পাঠানো হচ্ছে আরেক ফ্লাইটে।
এ প্রসঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক বৈমানিক জানান, ইউরোপিয়ান এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি (ইয়াসা) এবং ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) নিয়ম অনুযায়ী, একজন বৈমানিককে মাসে বা বছরে যতক্ষণ ডিউটি এবং ফ্লাইট করানো যায় তার থেকে বাংলাদেশের বৈমানিকদের ২০-৩০ শতাংশ বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করানো হচ্ছে। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশে যেখানে বছরে একজন বৈমানিক সর্বোচ্চ ৯০০ ঘণ্টা ফ্লাই করেন, সেখানে বাংলাদেশের বৈমানিকদের বছরে এক হাজার ঘণ্টার বেশি ফ্লাইটে থাকতে হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT