1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

রেমিট্যান্স নিম্নমুখী, ডলার সংকটেও চাঙ্গা এভিয়েশন খাত : সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে ২৮৫ ফ্লাইট

বদরুল আলম
  • আপডেট : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ কমছে। রয়েছে ডলারের তীব্র সংকটও। এরই মধ্যে রিজার্ভ নেমে এসেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। এর মধ্যেও চাঙ্গা ভাব দেখা যাচ্ছে দেশের এভিয়েশন খাতে। শুধু মধ্যপ্রাচ্য রুটেই কভিড-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৮ শতাংশ। চলতি সপ্তাহেও ২৬ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাতদিনে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাবে ২৮৫ ফ্লাইট।
কভিড-পরবর্তী বিধিনিষেধ ও উড়োজাহাজ চলাচলে নিয়মনীতি শিথিল হওয়ার কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে এখন ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, মহামারীর প্রাদুর্ভাব কমে আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়েছে। এ অঞ্চলের দেশগুলোয় এখন শ্রমিকের চাহিদাও বেশি।
এছাড়া ওমরাহ করতে যাওয়া যাত্রীও বেড়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোয় যাতায়াতের অন্যতম গেটওয়ে এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্য রুটে ফ্লাইটের সংখ্যায় বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে।
সিভিল এভিয়েশন ও অফিশিয়াল এয়ারলাইনস গাইডস (ওএজি) ডাটাবেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় মধ্যপ্রাচ্য রুটে চলাচলকারী ফ্লাইটের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশ-মধ্যপ্রাচ্য রুটে চলাচল করছে ২৮৫ ফ্লাইট। এর মধ্যে ঢাকা-দুবাই রুটে চলাচল করছে ৪৮টি। দোহা, জেদ্দা, দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাশাপাশি এয়ার অ্যারাবিয়া, এমিরেটস, ফ্লাই দুবাই, ইউএস-বাংলাসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন এয়ারলাইনস সংস্থা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে বিরতিহীন ফ্লাইট পরিচালনায় শীর্ষ ১০ এয়ারলাইনসের মধ্যে দুটি সংস্থার সর্বোচ্চসংখ্যক ফ্লাইট চলাচল করছে ঢাকা রুটে। এয়ার অ্যারাবিয়ার ২৪০ ফ্লাইটের ২৭টি চলাচল করছে শারজাহ-ঢাকা রুটে। সাউদিয়ার দক্ষিণ এশিয়ায় মোট ফ্লাইটের সংখ্যা ১২৭। এর মধ্যে ২৩টি চলছে জেদ্দা-ঢাকা রুটে।
মূলত প্রবাসী শ্রমিকদের চলাচলকেই মধ্যপ্রাচ্য রুটে উড়োজাহাজের ট্রাফিক বাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (এটিএবি) সভাপতি এসএন মনজুর মুরশেদ (মাহবুব) বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ফ্লাইটগুলোয় চলাচল বাড়ার কারণ হচ্ছে বাংলাদেশী যাত্রীদের ৬০ শতাংশেরও বেশি শ্রমিক। আবার প্রবাসে থাকা মোট বাংলাদেশীর ৭০ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। তাদের আসা-যাওয়া বেশি হলে ফ্লাইটও বাড়ে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রেও মধ্যপ্রাচ্য হয়ে যেতে হয় বাংলাদেশীদের। সব মিলিয়েই মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে বেশি। মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রীদের যাতায়াত চাহিদা বাড়লেও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এ সুবিধা নিতে পারছে না। এর কারণ হলো বিমানের ব্যবসার নীতির সঙ্গে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক চর্চার মানদণ্ডের মধ্যে এখনো পার্থক্য রয়ে গিয়েছে।
একই পর্যবেক্ষণ দেশের এভিয়েশন খাতসংশ্লিষ্টদেরও। তাদের ভাষ্যমতেও বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইটের চাহিদা ও সংখ্যা বাড়ার প্রধান কারণ প্রবাসী শ্রমিকরা। মধ্যপ্রাচ্যের কভিড-পরবর্তী শ্রম চাহিদা পূরণ করতেই বিপুলসংখ্যক মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় আসা-যাওয়া করছেন। বিশেষ করে সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) এখন শ্রমিকের চাহিদা বেশি। দেশগুলোয় এখন প্রচুর অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে। এর প্রেক্ষাপটেই প্রচুর শ্রমিক যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যে। ফলে ফ্লাইটও বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এয়ারলাইনসগুলো এখন ফ্লাইট বাড়াচ্ছে। এমনকি ভারতের এয়ারলাইনসগুলোও বাংলাদেশ থেকে যাত্রী নিয়ে মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী পরিবহন করছে।
বিমান বাংলাদেশের এমডি ও সিইও দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার উপমহাব্যবস্থাপক মো. আনোয়ারুল হক। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, কভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারগুলোয় কাজের সুযোগ বেড়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাত্রী গমন বেড়েছে। পাশাপাশি ওমরাহ ও হজের জন্যও যাত্রী বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল উন্মুক্ত হওয়ার কারণেই ফ্লাইট বেড়েছে। উৎস : বনিক বার্তা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT