রয়টার্সের খবর অনুসারে, সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় পার করছে দ্বীপ দেশটি। বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে ২ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ আমদানি করতে পারছে না। কভিডজনিত বিধিনিষেধের কারণে সমুদ্রসৈকত, প্রাচীন মন্দির ও সুগন্ধি চায়ের জন্য বিখ্যাত দেশটির পর্যটন খাতে বিপর্যস্ত অবস্থার সৃষ্টি হয়। অর্থনীতির পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতাও দেশটির সংকট বাড়িয়ে তোলে। এ অবস্থায় পর্যটন খাতের হাত ধরে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের আশা দেখছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ দেশটি।
কলম্বোয় পর্যটনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে পর্যটন খাত একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। আমরা এ লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। চলতি বছর সাড়ে সাত লাখ বিদেশী পর্যটক এবং এ খাত থেকে ২০০ কোটি ডলার আয় হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
হ্যারিন ফার্নান্দো বলেন, পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। আগামী বছর পর্যটকদের জন্য নতুন নতুন সুবিধা দেয়া হবে।
Leave a Reply