1. paribahanjagot@gmail.com : pjeditor :
  2. jadusoftbd@gmail.com : webadmin :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
র‌য়্যাল এনফিল্ডের ৩৫০ সিসির নতুন ৪ বাইকের যত ফিচার ঝালকাঠি থেকে ১১ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ১০ দেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি হলেন স্টার লাইনের হাজী আলাউদ্দিন তরুণরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নামুক আবার পেট্রোনাস লুব্রিক্যান্টস বিক্রি করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে ভারতীয় সব ভিসা সেন্টার বন্ধ মন্ত্রী এমপিদের দেশত্যাগের হিড়িক : নিরাপদ আশ্রয়ে পালাচ্ছেন অনেকেই বাস ড্রাইভার নিকোলাস মাদুরো আবারও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ইউএস-বাংলার দশম বর্ষপূর্তি : ২৪ এয়ারক্রাফট দিয়ে দেশে বিদেশে ২০ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা

বেশি গরমে রেললাইন বেঁকে যায় কেন?

নাবীল অনুসূর্য
  • আপডেট : বুধবার, ৩ মে, ২০২৩

খবরে হয়তো দেখেছ, গত শনিবার রেলের যাত্রীরা খুব মুশকিলে পড়েছিল; বিশেষ করে যারা চট্টগ্রাম ও সিলেট রুটে যাতায়াত করে। ট্রেনগুলো খুব দেরি করছিল। কারণটাও অদ্ভুত। গরমে নাকি রেললাইন বেঁকে গিয়েছিল! অবশ্য গত কিছুদিন যা গরম পড়েছে—মানুষ, পশু-পাখি সবার জীবন অতিষ্ঠ করে ছেড়েছে। তাই বলে রেললাইনও গরমে হাঁসফাঁস করবে নাকি!
তা করে বৈকি। অবশ্য সেটাকে ঠিক হাঁসফাঁস করা বলা যায় না। আসলে গরমে তো সব কিছুতেই প্রভাব পড়ে। জড়বস্তুতেও পড়ে—পানি যেমন গরমে ফুটতে শুরু করে। অনেক বেশি তাপমাত্রায় লোহাও ফুটতে শুরু করবে। তবে সেটা ২৮৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর গলতে শুরু করে ১৫৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
প্রকৃতিতে অত গরম পড়ার আশঙ্কা নেই। তাই আমরা নিশ্চিন্তে লোহা দিয়ে কাজ করি। ব্যবহার করি ঘরবাড়িসহ নানা জিনিসপত্র বানাতে। তবে গরমের তারতম্যে লোহার কিছুই যে হয় না, তেমন নয়। ঠাণ্ডায় লোহাও সংকুচিত হয়, গরমে প্রসারিত হয়। লোহার পাত দিয়ে রেললাইন বানানোর সময় সেটাও মাথায় রাখা হয়। কারণ শীতকালে সেগুলো আকারে একটু ছোট হয়ে যায়। গরমকালে একটু বেড়ে যায়। তাই এমনভাবে বানানো হয়, যাতে আকার একটু কমবেশি হলেও সমস্যা না হয়।
তবে সমস্যা হয় যখন অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম পড়ে। যেমন পড়েছে এবার। সাধারণত তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে রেললাইন বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এখনো দেশে অত গরম পড়েনি। কিন্তু অন্যান্য জিনিসের চেয়ে ধাতু অনেক বেশি তাপ পরিবহন করে। যেমন তাপমাত্রা যদি ৩০-৩৫ ডিগ্রি থাকে রেললাইনের পাতে সেটা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। তাতেই বাধে গোল।
এমনিতে রেললাইনের দুই পাশে গাছপালা লাগানো থাকে। তাতে লাভ হয় দুটি। বন্যায় রেললাইনের নিচের মাটি সহজে সরে না। সেই সঙ্গে রেললাইন গরম কম হয়। কিন্তু গাছপালা না থাকলে সরাসরি সূর্যের তাপে গরম হয়ে রেললাইনের লোহার আকার বেড়ে যেতে পারে। তখন সেগুলো এঁকেবেঁকে জায়গা করে দেয় অতিরিক্ত অংশগুলোকে।
গরমে এমন ঘটনা অনেক দেশেই ঘটে। ২০১৫ সালে লন্ডনে এবং ২০১৮ সালে মুম্বাইয়েও হয়েছিল। গরম বেশি পড়লে তাই ঝুঁকিপূর্ণ অংশে ট্রেন ধীরে চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। যেমন কিছু দিন ধরে চালানো হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওই অংশে। অনেক দেশে আবার এই সমস্যা সমাধানে রেললাইনে ব্যবহার করা হচ্ছে সাদা রং। কারণ সাদা রং সবচেয়ে কম তাপ শোষণ করে। এতে তাপমাত্রা কম হয় ৫-১০ ডিগ্রি পর্যন্ত।
তথ্যসূত্র : বিবিসি, নেটওয়ার্ক রেল
নাবীল অনুসূর্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© 2020, All rights reserved By www.paribahanjagot.com
Developed By: JADU SOFT