জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নপূরণ করতে হলে নদীকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার ঢাকায় মতিঝিলের বিআইডব্লিউটিএ ভবনে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে
রফতানি কার্গো ২০ দিনে যাবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ, চীন ও ভিয়েতনামের বন্দরসমূহের সাথে সংযোগ স্থাপনকারী একটি নতুন শিপিং সার্ভিস আগামী ২২আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সমুদ্রযাত্রাটি দেশের তৈরি পোশাকের চালান
বিশ্বজুড়ে জাহাজ পরিচালনা ব্যবসায় এখন দুঃসময়। করোনার প্রভাবে পণ্য পরিবহন কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক অনেক শিপিং কোম্পানিই নিজেদের বহরে থাকা ভাড়ায় চালিত জাহাজ ছেড়ে দিচ্ছে। আর ঠিক এমন সময়ে দেশের বহরে
বিশ্বের সেরা ২২টি জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ৮৫টি কনটেইনার জাহাজ দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহন করছে। ওই জাহাজ কম্পানিগুলোই দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে ২০১৯ সালে ২৯ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার চুক্তির আওতায় আটটি রুটেই পণ্য পরিবহন করতে চায় ভারত। ইতোমধ্যে প্রথম দফা ট্রায়াল রানে কলকাতা থেকে ত্রিপুরা পণ্য পরিবহনের পর এ চিন্তা করছে দেশটি। ভারত
লেবানন সরকার বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জন্য বন্দরের গুদামঘরে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মজুদ রাখাকে দায়ী করেছে। এত বিপুল পরিমাণ ভয়ানক দাহ্য পদার্থ ছয় বছরেরও বেশি সময় শহরের
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে আমদানি পণ্য পরিবহনে লাইটার জাহাজ পরিচালনায় শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাল্কহেড এবং সিরিয়াল-বহির্ভূত লাইটার জাহাজে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস বন্ধে ৮ সদস্যের
নদী, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। কিন্তু দেশের দরিদ্র মানুষদের বড় অংশ এখনো যথেষ্ট পরিমাণে মাছ পাচ্ছে না। সমুদ্রসীমা জয়ের মাধ্যমে আমরা যে পরিমাণে মাছ
করোনা সংক্রমনের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি নতুন রেকর্ড গড়েছে। ২০২০ সালের জুলাই মাসে এই বন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৭২ হাজার একক কনটেইনার; যা বিগত ১৮ মাসের মধ্যে
করোনাভাইরাসের তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরে। করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে নানামুখী পদক্ষেপের কারণে বন্দরের সব কার্যক্রম সচল থাকে। ফলে সদ্য শেষ হওয়া ২০১৯-২০